সাফল্য
Self Help,  TazulMasud

উপকরণ নয়, ব্যর্থতার কারণ অন্তর্গত উদ্যমহীনতা


“উপকরণ নয়, ব্যর্থতার কারণ অন্তর্গত উদ্যমহীনতা” এই সত্যটা যে একবার অনুধাবন করতে পেরেছে, যে একবার বুঝতে পেরেছে, সে এগিয়ে যাবেই।
আমরা অধিকাংশই তাকিয়ে থাকি উপযুক্ত উপকরনের দিকে। শুধুমাত্র বড়বড় উপকরনকেই মনে করি পরিত্রানের একমাত্র উপায়। আপনারা অনেকে জানেন আজ থেকে প্রায় দেড়দুই যুগ আগে বিটিভিতে একটি বিদেশি নাটক দেখাতো। নাটকটা খুবই জনপ্রিয় ছিলো। নাটকটার নাম ছিলো Macgyver. অনেক বাঙালি এই নাটকের নায়ক অভিনেতা রিচার্ড ডিন এন্ডারসন এর নামটা ভুলে গেলেও ভুলে যায়নি তারই অভিনীত কাল্পনিক চরিত্র Macgyver (ম্যাকগাইভার) এর নাম। কাল্পনিক এই চরিত্রটাকে কেন আমরা দুইযুগ ধরে মনে রেখেছি? কারনটি হচ্ছে, ম্যাগগাইভার যখনই বিপদে পড়তো, সে মাথাটাকে ঠান্ডা রাখতো, ইতিবাচক থাকতো। তার কাছে পরিত্রাণ পাবার জন্যে তেমন কোনও উপকরণ না থাকা সত্বেও মাথা ঠান্ডা রাখতো, এমনকি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও। তখন ম্যাগগাইভার কি করতো। পরিত্রাণের জন্যে উদ্যমী হয়ে আশেপাশে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা নিতান্তই অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো জড়ো করতো। সেই জিনিস গুলো একত্র করে রাসায়নিক অথবা পদার্থবিজ্ঞানের কৌশলকে কাজে লাগিয়ে সেই উচ্ছিষ্ট ফেলে দেয়া জিনিষগুলো থেকেই তৈরি করত পরিত্রাণ পাবার হাতিয়ার। এই গুন দেখে দর্শক মুগ্ধ। যেমন উদাহরণ দিয়েই ফেলি। একবার ম্যাকগাইভারকে শত্রুপক্ষ ঘিরে ফেললো। ম্যাকগাইভার একটি গাড়ি পেলো পালাবার জন্যে। কিন্তু সে খেয়াল করলো, গাড়িতে আসল জিনিসই নাই। অর্থাৎ ইঞ্জিন নাই। সে বুঝলো, ইঞ্জিন না থাকার কারনে গাড়িটা হালকা। তখন সে ফিজিক্সের কিছু কৌশল প্রয়োগ করে এবং ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা উপকরনগুলো কাজে লাগিয়ে। সেই ইঞ্জিন ছাড়া গাড়িতে চড়েই শত্রু পক্ষদের অবাক করেই, তাদের সামনে দিয়েই সেই গাড়ি নিয়েই দ্রুত বেগে বেড়িয়ে গেলো।
আপনারা যারা ম্যাকগাইভারকে চেনেননা অথবা ভুল্র গেছেন। তাদের জন্যে নিচের ভিডিও। এরপর আলোচনায় আসি।

আমাদের অনেকের প্রিয় ম্যাকগাইভার


আপনি হয়তো বলবেন, ভাই! গল্প সিনেমায় সবই সম্ভব। বাস্তব উদাহরণ দেন। কোথাকার কোন কাল্পনিক চরিত্র ম্যাকগাইভার, তার উদাহরণ কেন দিচ্ছেন? কিন্তু সিনেমাতে প্রডোউসার যদি গাঁজাখুরি জিনিস ঢুকাতে যায়, তাহলে সেই সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা হারায়, সেই নাটক সিনেমা ফ্লপ করে। এখন চাইলেও প্রোডিউসার গাঁজাখুরি জিনিষ ঢোকাতে পারেনা। কিন্তু বাস্তবে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা কল্পনাকেও হার মানায়। Truth is stranger than fiction. একটি উদাহরণ দিচ্ছি, প্রচণ্ড মাইনাস উপকরণ নিয়েও একজন মানুষ উদ্যেমের জোড়ে অসাধ্য সাধন করার উদাহরণ। অরুনিমা সিনহা।



অরুণিমা সিনহা, বয়স তখন মাত্র ২৫। পেশায় ভলিবল খেলোয়াড়। ভারতের উত্তর প্রদেশের আমবেদকার নগরে অরুনিমার নিবাস। জীবনের চরম প্রতিকূল অবস্থাতেও দৃঢ় মনোভাবে এগিয়ে চলা অরুনিমা গড়েছেন বিশ্ব ইতিহাস। অরুনিমার বাস্তব জীবনের গল্প সিনেমাকেও হার মানিয়েছে। থমকে যাওয়া জীবন পেয়েছে নতুন পরিচিতি। ২০১১ সালে, সাবেক জাতীয় ভলিবল এবং ফুটবল খেলোয়াড় অরুনিমা সিনহা পদ্মাবতী এক্সপ্রেসে লখনউ যাচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য সিআইএসএফ-এর পরীক্ষা। ট্রেনে হামলা করে দুষ্কৃতিরা। লুট হয় অরুনিমার সব জিনিসপত্র। এখানেই শেষ নয়। সাহসী অরুনিমার গলার চেইন নিতে চায়, কিন্তু সে দেয়নি। দুষ্কৃতরা এতে ক্ষিপ্ত হয়। ধাক্কা মেরে ট্রেন থেকে অরুনিমাকে রেলের ট্র্যাকের ওপর ফেলে দেয় তারা। উঠে দাঁড়ানোর আগেই উল্টোদিক থেকে আসা দ্রুতগামী ট্রেনে কাটা পড়ে অরুনিমার পা। সংজ্ঞাহীন হয়ে ট্র্যাকে ৭ ঘণ্টা পড়ে থাকেন তিনি। দুদিক থেকে ট্রেন আসছিলো আর যাচ্ছিলো। ইদুর পোকামাকড় তার ক্ষত হওয়া পা চাটছিলো, কামড়াচ্ছিলো পায়ের মাংস হাড্ডি। যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তখন প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ডাক্তারকে অরুনিমার হাঁটুর নিচের অংশ কেটে ফেলতে হয়। প্রাণে বেঁচে গেলেও আরেক জীবনযুদ্ধ অপেক্ষা করছিল অরুনিমার ভাগ্যে। অরুনিমা যখন বুঝলো, তার মেরুদণ্ড আহত হয়েছে, পা কাটা গেছে, সে আজীবনের জন্যে পঙ্গু হয়ে গেছে। সে আর খেলতে পারবেনা। আমরা হলে কি করতাম, I’m finished ভেবে জীবনকে ভাগ্যের হাতে সপে দিতাম। কিন্তু অরুনিমার সবচেয়ে মুল্যবান উপকরন তার অঙ্গ যাবার পরও অন্তর্গত শক্তির জোড়ে হাসপাতালের বেডে শুয়েই বললেন, “হে স্রস্টা! তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ হয়ত ইতিহাস তৈরির জন্যে। আমি ইতিহাস তৈরি করে দেখাবো। আমি মাউন্টএভারেস্ট এ উঠে দেখাবো।” অরুনিমা যোগাযোগ করেন ভারতের প্রথম এভারেস্ট জয়ী নারী বাচেনদ্রি পালের সাথে। সে এভারেস্ট জয়ের জন্যে তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেবার আগ্রহ জানায়। এটা শুনে বাচেনদ্রী বিস্মিত হলেন। এবং বললেন, “তুমি এই অবস্থায় এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন দেখছো। আরে তুমি ধরে নাও এভারেস্ট জয় করেছো। এখন মানুষের শুধু দিন তারিখ জানা বাকি।” এরপর যথারীতি অরুনিমা বাচেন্দ্রি পালের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন। ২০১২ সালে অরুনিমা জয় করেন আইল্যান্ড পিক (৬১৫০ মিটার)। এরপর শুরু হয় এভারেস্টে ওঠার প্রস্তুতি। ২০১৩ অরুনিমা চামসের কাংরি (৬৬২২ মিটার) উত্তরণ করেন। এরপরেই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০১৩ সালের ২১ মে দীর্ঘ ৫২ দিনের ধকল অতিক্রম করে সকালে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেন অরুনিমা। [1#] কি ছিলো অরুনিমার, উপকরন নাকি উদ্যেম? বলেন আপনারা? হ্যা, উদ্যেম। পৃথিবীতে আজ একেরপর এক প্রমাণিত হচ্ছে, ব্যর্থতার কারন উপকরনের অভার নয়, অন্তর্গত উদ্যমই দায়ী। আমাদের কোয়ান্টামে চমৎকার একটি কথা আছে, সাফল্য লাভের জন্যে সবচেয়ে বড় পুজি উদ্যোম। অর্থ ক্ষমতা প্রভাবকেও ম্লান করে উদ্যোম।


উদ্যোমের গুরুত্ব যে এখনই হচ্ছে তা কিন্তু না। সেই আদিকাল থেকেই এর চর্চা হয়ে আসছে। কমপক্ষে পাচ হাজার বছর আগের ঘটনা। মহাভারতের সময়কার। শ্রী কৃষ্ণ দুর্যোধনের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, দুর্যোধন! তুমি দশ লক্ষ সেনা চাও, নাকি আমাকে চাও। দুর্যোধন দশ লক্ষ সেনা চাইলো। শ্রীকৃষ্ণ এবার অর্জুনের কাছে একই প্রশ্ন করাতে অর্জুন বললো আপনাকেই চাই। [2#] শুরু হবে যুদ্ধ। অর্জুনের সৈন্য, অর্থ সেনা অনেক কম, তারপরও অর্জুন যুদ্ধে আসলো। কারন অর্জুনের ছিলো যুদ্ধবিদ্যা, তীরন্দাজের অসাধারণ ক্ষমতা। কিন্তু এত কিছু থাকা সত্বেও অর্জুন যখন দেখলো, তার প্রিয়মানুষদের বিপক্ষে যুদ্ধে যেতে হবে। সে এটা ভেবে যুদ্ধের উদ্যোম হারিয়ে ফেললো। তবে তার সাথেই ছিলো শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণ জিজ্ঞেস করলো, কি হয়েছে অর্জুন। অর্জুন একে একে বললো, সে যুদ্ধে আগ্রহী নয়। কেন আগ্রহী নয় সেটার ব্যাখ্যা করলো। এরপরে শ্রীকৃষ্ণ অনেক সময় নিয়ে অর্জুনকে বোঝালো কেন তার যুদ্ধ করা উচিৎ। আপনারা যারা শ্রীমদ্ভগবত গীতা পড়েছেন। তারা জানেন, গীতায় ১৮ টা অধ্যায়। প্রথম অধ্যায় হচ্ছে অর্জুন বলছে কেন সে যুদ্ধ করতে চায়না। বাকি ১৭ টা অধ্যায় শ্রীকৃষ্ণ বুঝিয়েছে কেন তার যুদ্ধ করা উচিৎ। কেন অন্যায়কে নির্মুল করা উচিৎ। অর্জুনকে ন্যায়ের পথে যুদ্ধে উদ্যেমী করার যে দীর্ঘ মেসেজ, এটাই শ্রীমদ্ভগবতগীতা। এরপরে অর্জুন উদ্যোমে বলীয়ান হয়ে দুর্যোধনের চেয়ে অনেক কম অর্থ শক্তি সেনা নিয়েও যুদ্ধে জয়ী হয়। প্রতিষ্ঠা করে ন্যায়ের। অপরদিকে দুর্যোধন অর্থ শক্তি আর দশ লক্ষ সেনা অর্থাৎ এত্ত এত্ত উপকরণ নিয়েও অন্তর্গত উদ্যোমহীনতার কারনে যুদ্ধে ব্যর্থ পরাজিত হয়ে প্রান হারালো। আসলে এইরকম আরও হাজার হাজার উদাহরণ দেয়া যায়, অনেক উপকরণ থাকা সত্বেও শুধুমাত্র উদ্যোমের অভাবে মানুষ ব্যর্থ হয়, অপরদিকে উপকরণ একেবারেই কম এমনকি মাইনাস উপকরন নিয়েও মানুষ সফল হয়েছে। এখন হয়ত প্রশ্ন করবেন। বুঝলাম, কিন্তু এবার আসল কথা বলেন, অন্তর্গত উদ্যোম ভিতরে আনবো কিভাবে? আমরা মহামানব নই, সহজ প্রসেস বলেন কিভাবে এই অন্তর্গত উদ্যোম ভিতরে আনা যায়। সহজটাই বলবো।


আপনারা অনেকেই হয়ত প্রচুর মোটিভেশনাল বই পড়েছেন। ঘাটাঘাটি করেছেন। আসলে একেকটা বইয়ের প্যাটার্ন একেকরকম। কোনও বই বলে পরিশ্রম বেশি করো। কেউ বলে ব্রেনকে কাজে লাগিয়ে নিয়মিত পরিশ্রম করো। কেউ বলে “এই” করো, কেউ বলে “সেই” করো। তবে যতই পার্থক্য থাকুকনা কেন, সব জনপ্রিয় মোটিভেশনাল বইয়ের কমন মেসেজ কিন্তু একটাই। সেটা হচ্ছে “ইতিবাচক চিন্তা” অর্থাৎ power of positive thinking. অন্তর্গত উদ্যোমের মুল ভিত্তিই হচ্ছে ইতিবাচক চিন্তা। ইতিবাচক চিন্তা আপনার জন্যে কল্যাণ বয়ে আনবে, আপনি যা চান ইতিবাচক চিন্তা আর কাজ দিয়েই তা অর্জন করবেন। ইতিবাচক চিন্তা সেটাই যেটা আপনাকে ইতিবাচক কাজে ঠেলে দেবে, উদ্যেমের পথে ধাক্কিয়ে নিয়ে যাবে। যদি তা না হয় তাহলে সেটা ইতিবাচক চিন্তা নয়। ইতিবাচক চিন্তা আপনার সীমিত উপকরনকে কাজে লাগানোর তাগিদ দিয়ে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নেবে। এরপরে বিনয়।
অন্তর্গত উদ্যোমকে কাজে লাগাতে হলে ইতিবাচকতার পাশাপাশি আপনাকে বিনয়ী হতে হবে। ইতিবাচক চিন্তায় পেলেন আপনার এই আছে সেই আছে, আপনি এখন এগিয়ে যাবার জন্যে প্রস্তুত। এখন যদি আপনি সেই উপকরণ নিয়ে অহংকারী হয়ে ওঠেন তাহলে পারিপার্শ্বিক সহযোগীতা আপনি পাবেননা। স্রস্টাও আপনাকে সহযোগীতা করবেনা। তাই বিনয়ী হতে হবে, শোকরগোজার হতে হবে। আল্লামা প্রফেসর এম শমশের আলীর একটা কথা বলেছিলেন, কোয়ান্টামের একটি প্রোগ্রামেই, “আজকে আমাদের চারদিকে আকাশছোঁয়া লোকের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। মাটিছোঁয়া লোকের সংখ্যা কম।” [3#] ইনশাল্লাহ আমরা সকলেই বিনয়ী হবার চর্চা অব্যাহত রাখবো।
জ্ঞানার্জন করতে হবে। যত ভালো জ্ঞান অর্জন করবেন তত আপনার অন্তর্গত উদ্যোম বাড়তে থাকবে। আপনি যে বিষয়ে ব্যর্থ হতে চাননা সেই বিষয়ে পড়াশোনা করুন, জানুন, পরামর্শ নিন। বই লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়, দোকানে পাওয়া যায়, ঢাকায় থাকলে নীলক্ষেতে চলে যান। ওখানে বিদেশী ভালোভালো পাবেন সুলভ মুল্যে। এছাড়া ইউটিউবে পছন্দের বিষয়ের ভিডিও লেকচার দেখতে পারেন। গুগলে ঘাটাঘাটি করতে পারেন। চারদিকে প্রচুর জ্ঞান উড়ছে। বুদ্ধিপ্রয়োগ করে কাঙখিত জ্ঞান ধরতে হবে। এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে আলোচনা শোনার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
———————-
[1#] Video: Believe system by Vivek Bindra, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ওয়েবসাইট (সাব্বিন হাসান এর লেখা ২০১৭ এর ৩ রা এপ্রিলের প্রতিবেদন) এবং উইকিপিডিয়া, এই তিনটা ঘেটে অরুণিমা সিনহার স্টোরিটা দাড় করিয়েছি।
[2*] আমি শ্রী শিবশংকর চক্রবর্তী সম্পাদিত শ্রীমদ্ভগবতগীতা পড়েছি। আর মহাভারতের কাহিনী আমার জানা। রামায়নও পড়েছি। সুতরাং তথ্যের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।
[3#] ইসলাম বিজ্ঞান মেডিটেশন page 41

(উল্লেখ্য লেখাটি লিখেছিলাম কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নির্দেশে আলোকায়ন কার্যক্রমের জন্যে। লেখাটি সাবমিট করতে দেরি হয়। তাই প্রথম প্রকাশ করি আমারই ফেসবুক পেইজে ২০১৮ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে। এরপর আমারই ব্লগস্পটে।)

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন। আমি বিশ্বাস করি, এই লেখার কন্টেন্টগুলো আপনাদের কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ করবে।

লেখকঃ তাজুল ইসলাম মাসুদ, ফাউন্ডার, বিক্রি বাড়ুক ডটকম

শেয়ার করতে পারেন

One Comment

  • Rashed Kabir

    খুব ভালো লাগলো। ভিডিওটাও অসাধারণ ছিলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *